April 19, 2026, 6:42 pm

সিদ্ধিরগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলীর ০৬ জন ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, আদমজীনগর, নারায়ণগঞ্জ এবং র‍্যাব-১, সিপিএসসি, পোড়াবাড়ী ক্যাম্প, গাজীপুর এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ০৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে জিএমপি, গাজীপুর গাছা থানাধীন চান্দুরা বড়বাড়ীতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। উক্ত অভিযানে বর্ণিত সময় ও স্থান হতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলীর ০৬ জন ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো সজীব (১৯), পিতা- মোঃ সাহেব আলী, মাতা-তাহমিনা, সাং- আটি (ওয়াপদা কলোনী), হাফিজ হাফিজ শেখ (২৩), পিতা- মৃত বাচ্চু শেখ (বর্তমান অভিবাবক- রিংকু শেখ), সাং- হাউজিং (ওয়াপদা কলোনী), ৩। কল্পনা বেগম (২৯), পিতা আবুল হোসেন, মাতা খুর্শেদা বেগম, স্বামী- মোঃ সাহেব আলী, সাং-আটি (ওয়াপদা কলোনী), ৪। আমিনুল ইসলাম (৩৪), পিতা- আব্দুল মজিদ, মাতা- আঞ্জেরা বেগম, সাং- আটি (ওয়াপদা কলোনী), ৫। মোঃ আকবর (২০), পিতা- মৃত হাশেম, সাং- হাউজিং (ওয়াপদা কলোনী), ৬। মোঃ শামীম মিয়া (২৬), মোঃ সাহেব আলীর শেলক, পিতা মো: ধনু মিয়া, মাতা- রবি আক্তার, সাং- আটি (ওয়াপদা কলোনী), সর্ব থানা- সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। এ সময় গ্রেফতারকৃত আসামীদের কাছ থেকে আলামত হিসেবে টাচযুক্ত মোবাইল ফোন

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলী যার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, অস্ত্রসহ অন্তত এক ডজন মামলা রয়েছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলী ওয়াপদা কলোনি বউবাজার এলাকার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক তাকে গ্রেফতারের জন্য র‍্যাব-১১ বরাবর অধিযাচন পত্র প্রেরণ করেন। এরই প্রেক্ষিতে র‍্যাব-১১ এর ০৪ জন এফএস সদস্যগণ নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারী ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক প্রেরিত অধিযাচনপত্র মূলে সিদ্ধিরগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলীর আবস্থান সনাক্ত পূর্বক তাকে গ্রেফতারের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আটি ওয়াপদা কলোনীর বউ বাজার পৌঁছালে আসামি মোঃ সাহেব আলী র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেফতার এড়ানোর জন্য তার লোকজনকে দ্রুত জড়ো করে সকলেই দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে র‍্যাবের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিতভাবে আক্রমণ করে। সকল আসামিরা র‍্যাব সদস্যদেরকে লক্ষ্য করে প্রথমে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে র‍্যাবের সদস্যদেকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাদেরকে এলোপাথাড়ি মারপিট করতঃ গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম সহ ও নিলা-ফুলা জখম করে। পরবর্তীতে র‍্যাবের টহল টিমের সদস্যদরা গুরুত্বর আহত র‍্যাবের সদস্যদেকে উদ্ধার কিরে খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা